আজ, ২১ অক্টোবর ২০২৫, মঙ্গলবারের পশ্চিমবঙ্গ বিভিন্ন ঘটনার সাক্ষী থাকল। একদিকে কালীপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই আবহাওয়ার পরিবর্তন, অন্যদিকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মন্দির দর্শন এবং রাজ্য সরকারের নতুন শিল্পবান্ধব প্রকল্পের ঘোষণা— সব মিলিয়ে আজকের দিনটি ছিল বেশ ঘটনাবহুল।
কালীপুজোর পর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস
কালীপুজোর উৎসব শেষ হতে না হতেই রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আজ, মঙ্গলবার, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বৃষ্টির আশঙ্কা বেশি। যদিও বৃষ্টির দাপট খুব বেশি হবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তাই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এর বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। তবে, এই বৃষ্টি কিছু এলাকায় কালীপুজোর পরের দিনের উদযাপনে সামান্য প্রভাব ফেলতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপের কারণেই এই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
(আরও জানতে: Google-এ অনুসন্ধান করুন)
নৈহাটির বড়মা মন্দিরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
আজ বিকেলে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নৈহাটির শতবর্ষ প্রাচীন বড়মা কালী মন্দিরে পুজো দেন। প্রতি বছর কালীপুজোর পর তিনি এই মন্দিরে পুজো দিতে যান, এবং এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি বড়মাকে বেনারসি শাড়ি দিয়ে পুজো দেন এবং আরতিতেও অংশ নেন। মন্দির কর্তৃপক্ষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য বড়মায়ের একটি বিশেষ মূর্তিও Abhishek Banerjee-র হাতে তুলে দেন। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ কঠোর ছিল এবং বহু দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। পুজো দেওয়ার পর তিনি দলের স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক বৈঠকও করতে পারেন বলে জানা গেছে।
(আরও জানতে: Google-এ অনুসন্ধান করুন)
ক্ষুদ্র শিল্পের উন্নয়নে রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প 'শিল্পের সমাধান'
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার 'শিল্পের সমাধান' নামে একটি নতুন প্রকল্প চালু করার ঘোষণা করেছে। এই প্রকল্পটি মূলত 'দুয়ারে সরকার'-এর আদলে শিল্পমহলের জন্য তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্পের অধীনে, রাজ্যের প্রতিটি পুরসভা এবং ব্লকে বিশেষ শিবির আয়োজন করা হবে, যেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। ছোট ব্যবসায়ীরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা, যেমন - ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ডের আবেদন, পরিবেশ বা দমকলের ছাড়পত্র, বিদ্যুৎ সংযোগ, ব্যাঙ্ক ঋণ এবং জমি সংক্রান্ত সমস্যার কথা সরাসরি আধিকারিকদের জানাতে পারবেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এই কর্মসূচির সঙ্গে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দপ্তর ছাড়াও সংখ্যালঘু কল্যাণ, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের মতো বিভিন্ন বিভাগ যুক্ত থাকবে। ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য 'বিজনেস কনক্লেভ'-এর প্রস্তুতি হিসেবে এই শিবিরগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
(আরও জানতে: Google-এ অনুসন্ধান করুন)